প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সোয়া ১০টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন যশোর শহরের কাজীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকার বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে ইছালী ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছিলেন। পথে যশোর-মাগুরা সড়কের পাঁচবাড়িয়ায় সিনজেনটা ওষুধ কোম্পানির অফিসের সামনে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরের দিন নিহতের বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে সিআইডির পরিদর্শক (ওসি) আমিনুল ইসলাম জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেনসহ ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন।
মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়। মামলার তদন্ত শেষে ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে গত ১৯ মার্চ আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক (ওসি) আমিনুল ইসলাম। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে আজ তিনি আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার কারণে আফজাল হোসেনকে ইউপি চেয়ারম্যানের পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ‘আইন সবার জন্যে সমান। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে চার্জশিট দিয়েছে। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ায় আত্মসমর্পণ করেছেন। যদি দোষী হন শাস্তি পাবেন আর দোষী না হলে বেকসুর খালাস হবেন। বাদ-বাকি তাকেই প্রমাণ করতে হবে।’