ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং ওই মাইক্রোবাসের যাত্রী দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজু আহম্মেদ রিংকু জানান, দলীয় একটি সভা শেষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মাইক্রোবাসে করে দর্শনা থেকে জীবননগরের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় আকন্দবাড়ীয়া এলাকার তেলপাম্পের কাছে পৌঁছালে তারা দেখতে পান, সড়কে গাছ ফেলে একটি ট্রাকে ডাকাতি চালাচ্ছে ডাকাত দল। এসময় বিষয়টি বুঝতে পেরে মাইক্রোচালক রাসেল দ্রুত ব্যাকগিয়ার দিয়ে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু ডাকাত দল ছুটে এসে মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে। তারা মাইক্রোচালক রাসেলের ডানহাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে।
সাজু আহম্মেদ রিংকু দাবি করেন, সংঘবদ্ধ ডাকাতদল মাইক্রোবাসে থাকা চার ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। তারা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানার হাতে থাকা চারটি স্বর্ণের আংটিসহ তার কাছে থাকা ৫০ হাজার ছিনিয়ে নেয়। এ ছাড়া অপর দুই ছাত্রলীগ নেতা ওয়াসিম ও শামিমের মোবাইলফোন দুটি ছিনিয়ে নেয়।
বেগমপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাসনুন আলম জানান, ডাকাতদল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।