মাগুরা শহরে শনিবার সন্ধ্যা থেকেই সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। সারারাত ধরে চলেছে উৎসব এবং পূজা দর্শন। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শুরু হওয়া কাত্যায়নী পূজা সোমবার (৩০ অক্টোবর) দশমীর মাধ্যমে শেষ হবে।
পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত থেকে পূজা দেখতে এসেছেন পূজন সরকার। সারারাত ঘুরে বেরিয়েছেন মাগুরা শহরে। তিনি বলেন, ‘এই উৎসবে না এলে বাংলাদেশ সম্পর্কে আমার ভুল ধারণা থেকে যেতো। এখানে এসে বুঝতে পারছি সত্যিই বাংলাদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করে।’
স্থানীয় নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা সমীর দাস বলেন,‘গত তিনদিন ধরে আমার বাড়ি অতিথিতে ভরপুর। কিন্তু কারও কোনও সমস্যা হচ্ছে না। সবাই মিলে উপভোগ করছি এ উৎসব।’
সংস্কৃতিকর্মী মোখলেছুর রহমান বলেন,‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার- এই কথাটির যথার্থতা প্রমাণ করে মাগুরার কাত্যায়নী উৎসব। সবাই সবাইকে সহযোগিতা না করলে নির্বিঘ্নে লাখ লাখ মানুষের পক্ষে সারারাত উৎসব উপভোগ সম্ভব হতো না। এ উৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ।’