আহত জিন্দারের বাড়ি নড়াইল পৌরসভার বরাশুলায় এবং লিয়াকত সিকদারের বাড়ি শহর সংলগ্ন সীমাখালী গ্রামে । আহত দুজনকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নড়াইল সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও আহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আউড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যান পলাশ মোল্যার সঙ্গে লিয়াকত সিকদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। রবিবার দুপুরে জিন্দার ও লিয়াকত মোটরসাইকেলে করে নড়াইল শহর থেকে সীমাখালী যাওয়ার পথিমধ্যে মাছিমদিয়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে জিন্দারের ডান হাত কেটে পড়ে যায়। এছাড়া লিয়াকত শিকদারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয়।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান পলাশ মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি বা তার কোনও লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, দুজনকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।