রনি যশোর শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার আলী হোসেনের ছেলে এবং একটি প্লাস্টিক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
নিহতের বান্ধবী ইভা আক্তার রত্না সাংবাদিকদের বলেন, ‘রনির সঙ্গে শুক্রবার বিকালে কালেক্টরেট পার্কে বসে গল্প করছিলাম। এ সময় তিন যুবক এসে তাকে ছুরি মেরে পালিয়ে যায়।’
রনির বন্ধু আকতার হোসেন বলেন, ‘আমি, রনি ও তার বান্ধবী রত্না কালেক্টরেট পার্কে বসে কথা বলছিলাম। এ সময় শংকরপুর রেললাইন এলাকার ফিরোজ হোসেনসহ তিনজন রনিকে ছুরি মেরে পালিয়ে যায়। পরে উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতায় রনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।’
যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ডা. সাইদুর রহমান বলেন, ‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।’
জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমল হুদা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।’