আত্মহত্যা নয়, তন্বীকে হত্যা করা হয়েছে: মা শামীমা

`ত্বন্নী স্মৃতি রক্ষা কমিটি’ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ত্বন্নীর মা

সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফারের পরিবারের প্রভাব আর অর্থের দাপটে তন্বী হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হচ্ছে না মন্তব্য করে মামলার বাদী শামীমা আক্তার বলেন, ‘খুলনার সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের পুত্রবধূ সারাহ ফার্গুসান তন্বী আত্মহত্যা করেনি। তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলেও পুলিশ ৩০২ ধারার মামলাটির অভিযোগপত্র দিয়েছে ৩০৬ ধারায়। দুইটি ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তির পার্থক্য রয়েছে।’ তন্বী ২৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার ‘তন্বী স্মৃতি রক্ষা কমিটি’ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তন্বীর মা শামীমা আক্তার এসব কথা বলেছেন।

তন্বী হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে, তিনি প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ও ঘুষ-দুর্নীতি থেকে মুক্ত থেকে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

‘নারী নির্যাতনের ফলে আত্মহত্যা : হত্যার সমিল’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অলোকানন্দা দাশ। আলোচনায় অংশ নেন সংবিধান প্রণেতা প্রবীণ আইনজীবী এনায়েত আলী, খুলনা জেলা মহিলা অধিদফতরের উপ-পরিচালক নার্গিস ফাতেমা জাবিন, নারী নেত্রী সুতপা বেদজ্ঞ, নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট কুদরত ই খুদা, এম এম মঞ্জুরুল আলম, আফম মহসিন, শ্যামল সিংহ রায়, শেখ মফিদুল ইসলাম, সেলিম বুলবুল, জেসমিন জামান, সিলভি হারুন, পপি ব্যনার্জী, মনিরা সুলতানা, শাহ মামুনর রহমান তুহিন, অশোক কুমার সাহা, আফকাল হোসেন রাজু, নিপা মোনালিসা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নির্যাতন ও আত্মহত্যার ঘটনাগুলোর বিচার ৩ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘তন্বী হত্যার বিচার হলে, নির্যাতনের শিকার হয়ে খুলনার স্কুল ছাত্রী শামসুন্নাহার চাঁদনী, দাকোপের কলেজ ছাত্রী বন্যা রায় ও জয়ী মণ্ডল আত্মহত্যার করতো না।

বক্তারা আরও বলেন, ‘আদালতে বিচার চলাকালে আসামির উপস্থিতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাক্ষীরা বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখিন হয়। তাই স্পর্শকাতর মামলার ক্ষেত্রে এ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: ‘সরকারি অফিস সম্পর্কে মানুষের ভুল ধারণা ভাঙতে কাজ করছি’