কালীগঞ্জ থানার এসআই অমিত কুমার দাস জানান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইসরাইল,তার বোন ও মামুন নামের তিন জনের বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া রাস্তার ওপর কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ করা হয়। আমরা আলামত উদ্ধার করেছি।
কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসরাইল হোসেন অভিযোগ করেন, শুক্রবার দুপুরে মনোহরপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে আরিফুল ইসলাম জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় সিমলা-রোকনপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীনের সমর্থক রিয়াজ ও তৌহিদ তাকে মারধর করে। পরে রাতে তারা আমার আত্মীয়-স্বজন ও পক্ষের মনোহরপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা টিপু সুলতানের ছেলে টিটন, সোবহানের ছেলে মামুন,আমার ভাই ইকবাল হোসেন, মান্দার মন্ডলের ছেলে ফজলু ও বজলুসহ ৬-৭টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। জিনিসপত্র লুটপাট করে। হামলার সময় তারা বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় এবং বাড়ির মহিলাদের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি-ধামকি দেয় ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন জানান, শুক্রবার দুপুরে আরিফুলকে মারধর করা হয়নি। বরং আরিফুল ও হাসান নামের দুই জন মিলে রিয়াজ ও তৌহিদ নামের দুই জনকে মারধর করেছে। বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তারা নিজেরাই এ গুলি করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।