বেনাপোলে পুলিশের সঙ্গে রাজস্ব কর্মকর্তাদের সংঘর্ষ





বেনাপোল কাস্টমসের যাত্রী বিশ্রামাগার ভাঙচুর বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে রাজস্ব কর্মকর্তাদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পাঁচ জন রাজস্ব কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালী। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কাস্টমসের একটি যাত্রী বিশ্রামাগারও ভাঙচুর করা হয়।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

আহতরা হলো সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালী, রাশেদুর রহমান রাশেদ, রাজস্ব কর্মকর্তা সুনীল মোদক ও সিপাহী ইমরান হোসেন। এর মধ্যে সুনীল মোদকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

পাসপোর্ট যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন ও সৌরভ আলী খাঁন বলেন, ‘ভারত থেকে আমরা কিছু বিয়ের কেনাকাটা করে দেশে ফিরছিলাম। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ওমর শরীফ আমাদের আত্মীয়। বেনাপোল পুলিশ ইমিগ্রেশনে কাজ শেষ করে কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্রে আসলে সেখানকার অফিসার রাশেদুর আমাদের ব্যাগ তল্লশি করে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তিনি মালামাল ডিএম (জব্দ) করার ভয় দেখান। এ সময় ওসি ওমর শরীফ প্রতিবাদ করলে পুলিশের সঙ্গে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সংঘর্ষ বাধে।’

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালী বলেন, ‘আমারা গোপন সূত্রে জানতে পারি ভারত ফেরত ওই দুই যাত্রীর কাছে বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলার আছে। এ কারণে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ওমর শরীফ তাদেরকে ব্যাগসহ ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের বাধা দিলে তারা আমাদের কর্মকর্তাদের মারধর করে এবং একটি কক্ষের দরজা ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ওমর শরীফ বলেন, ‘আমার দুজন আত্মীয় ভারত থেকে দেশে ফিরে আসার পর কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্রে তাদের ব্যাগেজ তল্লাশির নামে কাস্টমস অফিসার ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তারই প্রতিবাদ করায় কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে এরূপ অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।’