মাগুরায় শীতের তীব্রতা: হাসপাতালে শিশু শয্যার সংকট





মাগুরা সদর হাসপাতালের বারান্দায় শিশু রোগীদের নিয়ে স্বজনরাঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে গত কয়েক দিনে মাগুরা সদর হাসপাতালে ২শ’ শিশু ভর্তি হয়েছে। হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য মাত্র ১০টি আসন রয়েছে। বাকিদের থাকতে হচ্ছে বারান্দায়। হাসপাতাল কর্র্তপক্ষ বলছে ২৫০ শয্যার অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হলে শিশুদের জন্য আরও ৩০ শয্যা পাওয়া যাবে। তখন আর সমস্যা থাকবে না।
শিবরামপুর থেকে ৪ বছরের শিশু নির্ঝরকে নিয়ে আসেন রহিমা বেগম। পাতলা পায়খানাজনিত সমস্যায় সন্তানকে তিনি মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। ঠাঁই হয়েছে ওয়ার্ডের বারান্দায়।
বরান্দায় স্থান পাওয়া সোহান আরা বলেন, ‘এখানে ময়লা, দুর্গন্ধ, গ্লাস ভাঙা, নেই দরজা-জানালার ছিটকিনি। বাথরুম পরিষ্কার থাকে না। আমরা শিশুদের নিয়ে খুব বিপদে আছি। রাতের বেলায় কুয়াশার কারণে শিশুদের বেশি পরিমাণ ঠাণ্ডা লাগে। এতে করে শিশুরা আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’
মাগুরা সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক জয়ন্ত কুন্ড বলেন, ‘আমাদের হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, এটা আমরা গর্ব করে বলতে পারি। আমাদের সমস্যা হচ্ছে, শিশু বিভাগে আসন সংখ্যা ১০। রোগী আছে ২ শত। প্রতিদিনই ঠাণ্ডাজনিত কারণে শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, কলেরা ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যাই বেশি।’
মাগুরা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘১০০ শয্যাবিশিষ্ট মাগুরা সদর হাসপাতালটি সম্প্রতি ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। অবকাঠামোগত সব কাজ এখনও শেষ হয়নি। সম্পূর্ণরূপে তা চালু হলে শিশুদের জন্য আরও ৩০ শয্যা বেড়ে যাবে। শিশুদের জন্য তৈরি হবে নতুন ওয়ার্ড। তখন স্থান সংকুলানের কোনও সমস্যা হবে না বলে আশা করি।’