সাতক্ষীরার বাঁকাল এলাকায় একে ট্রাভেলসের এসি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে শুক্রবার একটি মামলা দায়ের করেছে। সদর থানার এসআই হাফিজুর রহমান (২)বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করে। মামলা নং-২০। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সদর থানার দায়িত্বশীল সূত্র জানায়,১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৫(৩)/২৫(ঘ)তৎসহ পেনাল কোডের ৪৩৫ ধারার এ মামলায় খুলনার খালিশপুর এলাকার আলিম খানের ছেলে ও সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাবেক শিবির ক্যাডার হামিদুল ইসলাম, কলারোয়ার ধানঘোরা গ্রামের মৃত গরিবুল্যার ছেলে ওমর আলী, কালিগঞ্জের ফতেপুর গ্রামের মোসলেম গাজীর ছেলে আব্দুল মোমিন, সদরের কাশেমপুর গ্রামের হাজাম পাড়ার মৃত ঈমান আলীর ছেলে গোলাম রসুল, শহর উপকণ্ঠের কুচপুকুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে গোলাম হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।
এছাড়াও সংশ্লিষ্ট সূত্রানুযায়ী এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, আলিপুরের আব্দুস সাত্তার সরদারের ছেলে আব্দুস সবুর, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ ও জামাত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ছোট, জেলা বিএনপির সভাপতি রহমত উল্যাহ পলাশ, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসিম ফারুক খান মিঠু, জেলা যুবদলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম নান্টা, ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ, জেলা যুব দলের সভাপতি আবুল হাসান হাদী, লাবসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম এবং জনৈক আল মামুন। এজাহারে উল্লেখিত ১৬ জন ছাড়াও অজ্ঞাত নামা ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, আমি শুনেছি আমাকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে কিন্তু আমি টহলে থাকায় কোনও কপি এখনও হাতে পাইনি। সুতারাং কিছুই বলতে পারছি না।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (ইনটেলিজেন্স) মহিদুল হক মামলার বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, ‘আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যহত আছে। যে কোনও সময় এসব আসামিকে আটক করা হবে। ’
আরও পড়ুন: মাছের প্রজেক্ট নিয়ে বিরোধের জের ধরে মোস্তাককে খুন