নিহত ফরিদা গাজীপুর শহরের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে আনোয়ার হোসেন পলাতক।’
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দ্দার, ম্যানেজার আনিসুর রহমান ও কর্মচারী শাহিন আলীকে আটক করেছে পুলিশ।
হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি বিকালে ফরিদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে আনোয়ার হোসেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ২২৪ নম্বর কক্ষটি ভাড়া নেয়। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গা থানা পুলিশে খবর দেওয়া হয়।’
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (অপারেশন) আমির আব্বাস বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষ খবর দিলে পুলিশ কক্ষের তালা ভেঙে ফরিদা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিক রঞ্জুসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।’