তবে স্থানীয় সরকার শাখার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এখানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। ভবনের বাইরে কিছু ঘটলে তা তার নজরে আসেনি। আর কোনও ঠিকাদার দরপত্র জমা দিতে বাধার মুখে পড়লেও আমাকে তা জানানো হয়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন, মহানগর যুবলীগ নেতা নামধারীরা এই দরপত্র নিয়ে সিন্ডিকেট করে। সিন্ডিকেটের বাইরে থেকে সাধারণ ঠিকাদাররা দরপত্র জমা দিতে যায়। তবে সিন্ডিকেটের বাধার কারণে তারা দরপত্র জমা দিতে পারেননি।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি এ দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি দরপত্র ক্রয়ের শেষ দিন পর্যন্ত ১০টি দরপত্র বিক্রি হয়। দরপত্র জমার শেষ দিন ছিল ১ মার্চ। কেসিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখায় দরপত্র বাক্স রাখা ছিল।
যুবলীগ নেতা কাজী তালাত হোসেন কাউট জানান, কতিপয় যুবক যুবলীগ নাম ব্যবহার করে সিন্ডিকেট তৈরির নামে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ করছে। এ কাজে যুবলীগের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।