পাশ্ববর্তী পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, ৪/৫ বছর আগে পূর্ব তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের সাইকেল মেকানিক মন্টু মোল্ল্যার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে পিংকি খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। শ্বশুর বাড়িতে যাওয়া-আসার ফাঁকে এক পর্যায়ে শ্যালিকা কলি খাতুনের (১৪) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বিল্লাল। কলি নারিকেলবাড়ীয়া জেড এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। কয়েকদিন আগে তারা উভয়ই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। মান সম্মানের ভয়ে বিল্লালের পরিবারের সদস্যরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। শ্যালিকা-দুলাভাইয়ের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। তারা মঙ্গলবার দিনগত রাতে এলাকায় ফিরে আসে। তবে তারা কেউই বাড়িতে যায়নি। বুধবার সকালে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। লোকলজ্জায় দুই জন রশিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেন সিরাজুল ইসলাম।
ঘোড়শাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিটন জানান, চার বছর আগে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে প্রেম করেই কলির বোন পিংকি’র বিয়ে হয়। তাদের দুই বছরের একটি সন্তান রয়েছে।এক পর্যায়ে দুলাভাই বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে কলির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১০ দিন আগে তারা পালিয়ে যায়। জানতে পেরে অনেক চেষ্টার পর গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। অবশেষে রাতের কোনও এক সময় গ্রামের পীরতলা মাঠের একটি কড়ই গাছে একই রশিতে ঝুলে তারা আত্মহত্যা করে।
নারকেলবাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বদিউর রহমান জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ মর্গে পাঠিয়েছে।