খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘খুলনা-যশোর মহাসড়ক দিয়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ লোড নিয়ে পরিবহন চলাচল করছে। এর ফলে মহাসড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। মেরামত করা না হলে বর্ষা মৌসুমে যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে রাস্তাটি ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় রাস্তা সংস্কারের দাবিতে আগামী ৩ এপ্রিল খুলনাসহ ১৫ জেলায় ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘খুলনা-যশোর রোড গাড়ি চলাচলের অযোগ্য। রাস্তায় থাকা ছোট বড় খানাখন্দে প্রতিদিন নানা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে ট্যাংকলরি। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। ড্রাইভাররা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাই তারা এখন আর গাড়ি চালাতে চায় না। এ রাস্তাটি প্রায় দু’বছর ধরে বেহাল হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।’
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল, ট্যাংকলরি মালিক সমিতি সহ-সভাপতি আলহাজ এম মাহবুব আলম, খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি মোড়ল আব্দুস সোবাহান, ট্যাংকলরি খুলনা বিভাগীয় মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন, খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুরাদ হোসেনসহ অনেকে।