বৃহস্পতিবার (৩ মে) দুপুর ২টায় খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এস এম কামাল হোসেন এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপকৌশল খুব ভালোভাবেই জানেন বলে মন্তব্য করেন।
কামাল হোসেন বলেন, ‘সন্ত্রাসী, মাদক বিক্রেতা ও অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার করার দাবি ছিল বিএনপির। আজ যখন পুলিশ ৭নম্বর ঘাট এলাকার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী আবু তাহেরকে গ্রেফতার করেছে, তখন বিএনপি তাকে দলীয় কর্মী দাবি করছে। সিএসডি গুদামের চাল আত্মসাতকারী জুলফিকার আলী ভুট্টো পুলিশের তাকিাভুক্ত সন্ত্রাসী। সম্প্রতি সে জেল থেকে বেরিয়েছে। তাকে গ্রেফতার করার পর মঞ্জু তার মুক্তির দাবিতে নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তিনি আসলে কথা ও কাজে মিল রাখেন না। নগরবাসী এ ধরনের নেতা চায় না।’
আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন বলেন, ‘নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের ইঙ্গিতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে পুলিশ তার নির্বাচনি প্রচারণার কাজে বাধা সৃষ্টি করছে— যা ভিত্তিহীন। পুলিশ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার করতে তৎপর হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন এলাকা থেকে কিছু সন্ত্রাসী গ্রেফতার হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। নির্বাচনি প্রচারণায় ফায়দা নিতেই মেয়র প্রার্থী মঞ্জু এ ধরনের মিথ্যা অপকৌশল অবলম্বন করেছেন।’
আরও পড়ুন: পরাজয়ের আশঙ্কায় বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে: খালেক
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আওয়ামী লীগ, তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনও সন্ত্রাসী থাকলে তাকেও গ্রেফতার করা হলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনও ভূমিকা গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়ে কামালা হোসেন বলেন, ‘যুবদল থেকে যুবলীগে আসা মুকুল মুন্সী নামে একজনকে বুধবার রাতে ফুলবাড়ি গেটে থেকে ধরে নেওয়ার পর পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা তাকে ছাড়ার কারণ জানতে চেয়েছি। পুলিশ বলেছে, তার নামে থানায় কোনও মামলা না থাকার কারণে ছেড়ে দিতে হয়েছে।’
প্রেসব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজী আমিনুল হকসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।