সাতক্ষীরায় মানবপাচার মামলায় চার জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন এক আসামি। মঙ্গলবার (৮ মে) দুপুর দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাহমুদপুর বাদামতলা গ্রামের আব্দুর রশিদ, তার স্ত্রী রহিমা খাতুন, আব্দুল জলিল ও তার স্ত্রী মাছুরা খাতুন। এছাড়া খালাস পেয়েছেন একই গ্রামের আসাদুল ইসলাম।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১০ সালের ২ জানুয়ারি মাহমুদপুর বাদামতলা গ্রামের মৃত মধু মণ্ডলের মেয়ে রুপালী দাসীকে (১৬) কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভারতের বোম্বের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়। এ ঘটনায় তার মা গীতা দাসী উল্লিখিতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করেন।
সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ মামলায় আট জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথি পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও একজনকে খালাসের নির্দেশ দেন। আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছে।