নিহত হামিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটভাটা এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।
র্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার এম মুহাইমিনুর রশিদ জানান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশে একদল সন্ত্রাসী গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন বালুরমাঠে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে র্যাবও পাল্টা গুলি চালালে একজন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান,র্যাব খোঁজ নিয়ে জানতে পারে নিহত ব্যক্তি হামিদুল বাহিনীর প্রধান শীর্ষ সন্ত্রাসী হামিদুল ইসলাম। সে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় পিস্তল,একটি বিদেশি পিস্তুল,পাঁচ রাউন্ড গুলি ও দুইটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে।