পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি করে নিহত হয় তারা। তবে নিহতদের পরিবারের দাবি, বুধবার (২৩ মে) রাতে সাদা পোশাকের কিছু পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ভোমরা গ্রামের আসগর আলির ছেলে খলিলুর রহমান (৫০) ও শহরের মধুমোল্লাডাঙ্গির এরফান কারিগরের ছেলে এমদাদ হোসেন (৪৮)।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রবীর কুমার দাস জানান, সোমবার ভোরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বাঁকালের আগুনপুর এলাকা থেকে দুটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ দুটির দেহে একটি করে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তাদের পরনে ছিল লুঙ্গি ও গেঞ্জি। লাশের পাশ থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ১০৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মদের খালি বোতলও পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তারা মাদকের ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। নিজেদের মধ্যে গোলাগুলির একপর্যায়ে দুইজন নিহত হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তবে নিহত এমদাদের ভাই মফিদুল ইসলাম জানান, এমদাদকে সাদা পোশাকধারী কয়েক ব্যক্তি গত বুধবার রাতে তারাবির নামাজের পরপরই বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তিনি সাতক্ষীরার গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে খোঁজ নিলে জানানো হয় তার ভাইকে আটক করা হয়নি। এ ব্যাপারে তারা থানায় জিডি করারও পরামর্শ দেন।