ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি ভোটগ্রহণের জন্য আগে দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার বদলে নতুন ‘সেটআপ’ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৫ মে নির্বাচনে অভিযোগের কারণে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০২ নং ইকবালনগর মাধ্যমিক স্কুল (একাডেমিক ভবন ২), ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ২৭৭ নং লবণচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৭৮ নং ৩১ নম্বরওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘তিনটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রের নিরাপত্তায় র্যাবের ৪টি মোবাইল টিম, ১ প্লাটুন বিজিবি, তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রতিটি কেন্দ্রে ২২ জন করে পুলিশ, ১৭ জন আনসার সদস্য এবং পুলিশের আলাদা মোবাইল টিম রয়েছে।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় এরই মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে বিএনপির প্রার্থী শমসের আলী মিন্টুকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ হোসেন মিঠু এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৮০৪ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল পেয়েছেন ২ হাজার ৬২৮ ভোট। স্থগিত দুটি কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৭০৭।
অন্যদিকে সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে রয়েছেন বিএনপি’র প্রার্থী মাজেদা খাতুন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমা খাতুন। দুইজনের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান মাত্র ৩৩৩। স্থগিত থাকা কেন্দ্রের ভোটার রয়েছেন ২ হাজার ১২৪ জন। একইভাবে সংরক্ষিত ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী লুৎফুন নেছা লুৎফা ও বিএনপির প্রার্থী রোকেয়া ফারুক।