বাঘারপাড়া থানার ওসি নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।
তার আগে নিহতের মা কোহিনূর বেগম বৃহস্পতিবার সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে এসে লাশটি তার ছেলে রাজুর বলে শনাক্ত করেন।
কোহিনূর বেগম জানান, তার ছেলে চট্টগ্রামে একটি গেঞ্জি মিলে কাজ করতো। মাস দুয়েক আগে বাড়িতে এসেছে। গত বুধবার রাতে সে বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে এশার নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরছিল। ওইসময় একজন লোক পুলিশ পরিচয়ে তাকে মোবাইলফোনে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তার মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তিনি জানান, পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারেন ছেলের গুলিবিদ্ধ লাশ হাসপাতাল মর্গে পড়ে আছে। এখানে এসে চিনতে পারেন লাশটি তার ছেলের।
বাঘারপাড়ার থানার ওসি মঞ্জুরুল আলম বলেন, ময়নাতদন্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিহতের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় কোনও মামলা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে চৌগাছা থানার ওসি খন্দকার শামিম বলেন, ‘রাজু নামে কেউ গোলাগুলিতে নিহত হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই।’
প্রসঙ্গত, বুধবার দিবাগত ভোররাতে যশোরের বাঘারপাড়ার ভাটার আমতলা এলাকায় ‘গোলাগুলিতে’ ওই তরুণ নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গাঁজা, অস্ত্র ও গুলি ইত্যাদি উদ্ধার করে।