নিহতরা হলেন– বাগেরহাট সদর বেমরতা ইউনিয়নের কাপালী বন্দর গ্রামের বিষ্ণুপদ মণ্ডলের স্ত্রী শম্পা রাণী মণ্ডল (২৮) এবং মোরেলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের কুমারীয়াজোলা গ্রামের রমেন্দ্র নাথ মৃধার ছেলে বিকাশ মৃধা (৪০)। এসময় আহত সুভাস তালুকদারকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পঞ্চকরণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার জানান, সুভাস তালুকদার হেড়মা বাজারের কাছে তার মাছের ঘেরে মাটি কাটার জন্য বিকাশ মৃধাকে শ্রমিক হিসেবে নিয়ে আসেন। তারা মাছের ঘেরে মাটি কাটার সময় গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতে অসুস্থ ঘের মালিক সুভাস তালুকদার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শ্রমিক বিকাশকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অসুস্থ সুভাসকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত। বজ্রপাতে বিকাশের মৃত্যুর তথ্য মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেদুল ইসলামও নিশ্চিত করেছেন।
বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগর বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে গৃহবধূ শম্পা মণ্ডল বাড়ির পাশে মাঠে বেঁধে রাখা গরু আনতে যান। প্রায় আধা ঘন্টা পার হলেও শম্পা বাড়িতে না ফিরে আসায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে যেয়ে মাঠে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে গেলে চিকিৎসক শম্পাকে মৃত ঘোষণা করেন। বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মাহাতাব উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে জেলার মোংলা উপজেলার জয়মুনি কাটাখাল এলাকায় বজ্রপাতে শ্রী দেবী (৩২) নামে এক গৃহিনী আহত হয়েছেন। শ্রী দেবী কাটাখাল এলাকার সুজিতের স্ত্রী। শ্রী দেবীকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।