নিহতের মা রেকসোনা বেগম জানান, তার ছেলে বেলাট দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। আজ দুপুরে তারা জানতে পারেন তার বোনের ছেলে ইমন হোসেন মাগুরা আড়পাড়াকান্দি গ্রামে কিটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে। খবর শুনে তারা একটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে ইমনদের বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হাকিমপুর গ্রামে গলাকাটা মসজিদের সামনে পৌঁছালে ভ্যানের চাকায় একটি ছাগলের দড়ি পেঁচিয়ে যায়। তখন চলন্ত ভ্যান থেকে মাটিতে পড়ে মারুফ গুরুতর আহত হয়। এরপর তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার কল্লোল কুমার সাহা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মারুফের ফুসফুসে প্রচণ্ড আঘাত পায়। এতে তার নাক এবং মুখ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং সে কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।