নাশকতা অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আসামিরা হলেন- শার্শা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান জহির, শার্শা থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন, সাকাওয়াত হোসেন, থানা ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক ওয়াসি উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল অহেদ, জনি ইসলাম, রুহুল আমিন, শহিদুল ইসলাম, রকি বিশ্বাস, সাইফুল ইসলাম সোহাগ, বাগআচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, কবির হোসেন, সেলিম হোসেন আশা ও জামাল হোসেনসহ অনেকে।
এদিকে যশোরের শার্শায় কেন্দ্রীয় ঘোষিত যুবদলেরর বিক্ষোভ মিছিল করার সময় সোমবার (২ জুলাই) বিকাল ৫টার সময় শার্শার নাভারন বাজার থেকে ৩ যুবদল কর্মীকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন- মহির হোসেন, সাইফুল ইসলাম সুমন ও হুসাইন আহম্মদ। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭ টি হাত বোমা ও কয়েকটি লাঠি উদ্ধারের কথা জানান।
শার্শা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) এম মশিউর রহমান বলেন, সোমবার বিকালে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা নাভারন বাজারে প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে তিন যুবদলের কর্মীকে আটক করা হয়। এসময় বাকিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৭টি হাত বোমা, কয়েকটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও বোমা রাখার জন্য ১৮ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।
আটক তিনজনকে বিকাল ৩টার সময় যশোর কোর্ট হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।