পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দু’দল সন্ত্রাসীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে আকাশ মারা যান।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আকাশের বোন মিনু ও ভগ্নিপতি মরদেহ শনাক্ত করেন। তারা জানান, আকাশ যশোরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডে একটি কারখানায় (বৈদ্যুতিক সুইচ) কাজ করতো। সপ্তাখানেক আগে সে যশোর থেকে ঢাকায় যায়। বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) রাতে সে যশোরে ফিরে আসে। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। সকালে তারা খবর পান আকাশের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
কোতোয়ালি থানার এসআই তারেক নাহিয়ান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে পুলিশের কাছে খবর আসে শংকরপুর বাবলাতলা এলাকায় দু’দল সন্ত্রাসীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যায়। ওই সময় সেখানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় যুবকটি পড়ে ছিল। তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়।
জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শফিউল্লাহ সবুজ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর আবুল বাশার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নিহতের পরিচয় এখনও পাইনি। সে কারণে তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা রয়েছে কিনা এ মুহূর্তে তা বলা যাচ্ছে না। খোঁজ খবর নিচ্ছি।
আরও পড়ুন: