জানা যায়, গত ৬ জুলাই সকালে পারিবারিক কলহের জের ধরে মোটরসাইকেল মিস্ত্রি জাকির হোসেন দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা মোহাম্মদপুরস্থ ভাড়া বাড়িতে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিন সন্ধ্যায় কুড়লগাছি সরকারি কবরস্থানে তার দাফন কাজ সম্পন্ন হয়।
জাকিরের মৃত্যুর ব্যাপারে বাবা লাল মিয়ার সন্দেহ হলে তিনি দামুড়হুদা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। এরপর জাকিরের স্ত্রী বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
গত ১৭ জুলাই জাকিরের বাবা লাল মিয়া বাদী হয়ে নিহত জাকিরের স্ত্রী বর্ষাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফের ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। এরপর পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পুনরায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুস আলী জানান, হত্যা না আত্মহত্যা জানা যায়নি, তবে আগের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখনও আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার পরে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।