শফিকুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী গত ২ আগস্ট কালিয়া উপজেলা ইউএনওকে সভাপতি করে বড়নাল দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু মানিরুল ইসলাম বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। এরপর থেকে মানিরুল ইসলাম আমাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাকে (মানিরুল) সভাপতি করতে হবে বলে ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গত মঙ্গলবার প্রথমে দুপুরে এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই দফা মানিরুলসহ তার লোকজন মাদ্রাসায় এসে রেজুলেশন খাতা পরিবর্তন করে তাকে (মানিরুল) সভাপতি করতে চাপ দেন। এ সময় মানিরুলসহ তার সঙ্গে থাকা সাইজুর ও খাইরুল আমাকে কিলঘুষি মারতে মারতে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যান। প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেন। তারা আমার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে। রেজুলেশন খাতা ছিঁড়ে ফেলে মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে কালিয়া ইউএনওর নাম বাদ দিয়ে মানিরুল ইসলাম নতুন করে রেজুলেশন লিখে সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষর প্রতিস্থাপন করে সভাপতি হওয়ার চেষ্টা করেন।
এ ব্যাপারে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শমসের আলী বলেন, এ ঘটনার পর সুপারসহ মাদ্রাসার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশি পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত মানিরুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।