ঝিনাইদহে জমে উঠেছে কোরবানির পশু হাট

ঝিনাইদহে জমে উঠছে পশুর হাট

ঝিনাইদহে জমে উঠেছে বিভিন্ন এলাকার ২৭টি কোরবানির পশু হাট। ভালো দামের আশায় বিক্রেতারা সারা বছর কষ্টে পালন করা গরু হাটে তুলেছে। অন্যদিকে ক্রেতারাও পছন্দের গরুটি কেনার জন্য হাটে ভির করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জেলার ভাটই, গাড়াগঞ্জ, শৈলকূপা, খালিশপুর, এলাঙ্গী, বারোবাজার, হরিণাকুন্ড, ডাকবাংলা, মধুপুর, গোয়ালপাড়া, মধুহাটি এবং সাধুহাটির গো-বাজারগুলো সবচেয়ে বড় পশুর হাট। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মৌসুমী ব্যবসায়ীদের ভিড়ে জমজমাট এ পশু হাটগুলো। দেখে শুনে মোটাতাজা গরু কিনতে প্রতিযোগিতায় নেমেছে ক্রেতারা। হাট ঘুরে দেখে নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে গরু কিনছেন ক্রেতারা। ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর সরবরাহই বেশি। ৪০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে মিলবে পছন্দের গরু।

শৈলকুপা বাজারে গরু কিনতে আসা উপজেলার কাঁচেরকোল গ্রামের শাহিন হোসেন জানান,গরুর দাম এবছর স্বাভাবিকই রয়েছে, তেমন বাড়েনি।

গরু বিক্রেতা সাইদুর রহমান জানান,তিনি কোনও ঝামেলা ছাড়াই গরু বিক্রি করেছেন। কিন্তু গো-খাদ্যের মূল্য বেশি হওয়ার কারণে এ বছর বেশি লাভ করতে পারেননি।

হাটে গরু কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, দাম এবার খুব বেশি না। তবে পশু হাটের সব থেকে ভালো দিক হচ্ছে ঝিনাইদহের গরুগুলো স্বাভাবিকভাবেই মোটাতাজা করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ ছাগল হাটের ব্যাপারি সুমন বিশ্বাস জানান, প্রতি হাটেই দুই থেকে তিন হাজার গরু ছাগল বিক্রি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ ও সীমান্তে কড়া নজরদারি থাকায় এ বছর ভালও দাম পাওয়ার আশা করছেন ঝিনাইদহের খামারিরা।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ বছর জেলার ৬ উপজেলায় ৫৩ হাজার ৮শ’ গরু ও ৪২ হাজার ৫শ’ ছাগল ভেড়া প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। খামারিরা যেন কোনও প্রকার ওষুধ ব্যবহার না করে সে ব্যাপারে তাদের পরামর্শ দেওয়া ও তদারকি করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন,‘ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তা দিতে পুলিশ সদস্যরা টহল জোরদার করেছে।’