প্রতিযোগিতার দিন শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর শিববাড়ি থেকে শহীদ হাদিস পার্ক পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হবে। এরপর দুপুর ২টায় রূপসা নদীর ১নং কাস্টম ঘাটে অতিথিরা ফেস্টুন ও বেলুন ওড়ানোর মধ্য দিয়ে নৌকা বাইচের উদ্বোধন করবেন। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ১ নং কাস্টম ঘাটে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় শেষ হবে। প্রতিযোগিতা ১ নং কাস্টম ঘাট থেকে শুরু হয়ে খানজাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু)-তে গিয়ে শেষ হবে।
এ বছর প্রতিযোগিতায় কয়রা, পাইকগাছা, তেরখাদা, কালিয়া, নড়াইল, মাদারিপুর থেকে ১৫টি বড় এবং ১০টি ছোট বাইচ দল আসছে। এর মধ্যে বড় দলের প্রথম বিজয়ীরা পাবেন ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় দল ৬০ হাজার এবং তৃতীয় দল পাবে ৩০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ছোট দলের প্রথম বিজয়ী দল ৫০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় দল ৩০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় দল পাবে ২০ হাজার টাকা। এছাড়াও এবার গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর এলাকার আরও ১২টি বাচারি নৌকা নিয়ে একটি বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে। সেই দলের প্রথম বিজয়ী পাবে ৫০ হাজার, দ্বিতীয় দল ৩০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় দল পাবে ২০ হাজার টাকা।
নৌকা বাইচ নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য সকাল ১০টা থেকে ১ নং কাস্টম ঘাট, নতুন বাজার লঞ্চ ঘাট ও রূপসা ফেরিঘাটে সকল যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তা রক্ষার্থে পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিযুক্ত থাকবে। এছাড়াও বিশেষ প্রয়োজনে মেডিক্যাল টিম ও ফায়ার সার্ভিস উপস্থিত থাকবে।
গ্রামীণফোনের খুলনা সার্কেল প্রধান মো. আওলাদ হোসেন বলেন, ‘খুলনাবাসীদের একটি আনন্দঘন দিন উপহার দেওয়ার জন্যই আমরা এই বাইচ প্রতিযোগিতার সহযোগিতা করছি। তাদের ভালো লাগলেই আমাদের এই আয়োজন সফল হবে।’
নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রর সভাপতি মোল্লা মারুফ রশীদ বলেন, ‘আমরা সবসময় এই খুলনা নৌকা বাইচকে সফল করে তুলতে চাই।’
নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রর পক্ষ থেকে এর সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান রহিম বলেন, ‘সকলের ভালোবাসা, সহযোগিতা আর চেষ্টার ফলশ্রুতিতেই অনুষ্ঠিত হবে আমাদের খুলনাবাসীর এই নৌকা বাইচ। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা না পেলে আমরা খুলনাবাসীদের এই নৌকা বাইচ উপহার দিতে পারতাম না। অন্যদিকে এই আয়োজনে দেশের প্রধান টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন আমাদের পাশে রয়েছে এটাও আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার।’