আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, ‘ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে নির্বাচিত সরকারের অধীনেই পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের দেশেও একই পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে। কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সেটা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব ব্যাপার, নির্বাচন কারও জন্য থেমে থাকবে না।’
নাসিম বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে জোট করে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন। আমার লজ্জা হয় ড. কামাল হোসেনের জন্য। তিনি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ছিলেন। তার মতো এমন একজন আইনজীবী কীভাবে দেশ বিরোধীদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারেন?’
১৪ দলের সমন্বয়ক বলেন, ‘জোট করেছেন ভাল কথা। একশটা জোট করুন কোনও সমস্যা নেই; তবে দেশে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করবেন না। তা হলে সরকার কঠোর হাতে তা দমন করবে।’
আগামী ১০ দিনের মধ্যে দেশের পরিস্থিতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে ড. কামাল হোসেনের এমন বক্তব্যের জবাব দেন মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, ‘এটি ড. কামাল হোসেনদের জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।’
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন— সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলিপ বড়ুয়া, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি, জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস, সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ।