এদিকে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে খালাস হওয়া পণ্য দেশের বিভিন্ন নৌ বন্দরে পৌঁছালেও পরিবহন ধর্মঘটের কারণে তা সরবরাহ করতে না পারায় লাইটারেজ সংকট দেখা দিয়েছে। আর এই লাইটারেজ সংকটের কারণেই বন্দরে অবস্থানরত বেশিরভাগ জাহাজেরই পণ্য খালাস ও পরিবহন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারী ও উপদেষ্টা কমিটির সদস্য এইচ এম দুলাল।
সুলতান হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিন গড় হিসেবে আমাদের ২০ হাজার মেট্রিক টন পণ্য বন্দর এলাকায় আটকে ছিল। ধর্মঘটে এসব পণ্য নিয়ে কোনও গাড়ি বের হতে পারেনি। ওদিকে মোংলা সমুদ্র বন্দরের বাইরের নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে সেখানেও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন তারা। এক্ষেত্রে তাদের দু’দিনে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ট্রাফিক কর্মকর্তা মো. সোহাগ বলেন, ধর্মঘটে বন্দরে আমদানি করা গাড়ি ও কন্টেইনারের বিভিন্ন পণ্য বের হতে পারেনি। এতে বন্দরের আর্থিক ক্ষতি না হলেও ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হয়েছে।