পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দাবি, ম্যাপে খাল থাকায় আমরা কাটার প্রস্তুতি নিয়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাগেরহাটের উপসহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা মোংলা অংশে ১১টি খাল কাটবো। মোংলা-রামপালে মোট ৮৩টি খাল কাটতে ৫৩১ কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে। মোংলা অংশের ১১টি খালের মধ্যে মাকোরডোন-১ খালটির ৪ কিলোমিটার এবং মাকোরডোন-২ খালটির ২.৬ কিলোমিটার কাটতে এরই মধ্যে জরিপ কাজ শেষ হয়েছে। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। ’
মাকোরডোন এলাকার বাসিন্দা সাইফুল্লাহ খান, শাজাহান ইজারদার, আব্দুল মালেক শেখ ও আউয়াল খানসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তারাও খাল খননের পক্ষে, তবে সেটি বৈধ এবং আইনসম্মতভাবে করতে হবে। তারা বলেন, ১৯৩০ সালে আমরা নিজস্বভাবে নিজ জমিতে খাল কেটে চলাচলের ব্যবস্থা করি। এখন সেই খাল কাটতে আমাদের অন্তত দুই থেকে আড়াইশ বিঘা ধানের জমির ওপর সার্ভে করা হয়েছে। অন্যায়ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এ জরিপ করে লাল ফ্লাগের নিশানা বসিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছেন। এতে করে এলাকার তিনশ পরিবারকে উচ্ছেদ করা হবে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। তারা আরও বলেন, এসব ঠেকাতে আমরা গত ১৯ নভেম্বর আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছি।