খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের (পিটিসি) কমান্ড্যান্ট শেখ ওমর ফারুক বলেন, ‘আবু মুছাকে তাৎক্ষণিকভাবে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফায়ারিংয়ের সময় ৯নং টার্গেটে ফায়ারিংয়ের প্রস্তুতিকালে বরিশাল জেলা পুলিশের নায়েক আবু মুছা (নায়েক নং ৪৮) নিজের অস্ত্রে গুলি লোড দেন।কিন্তু পরে গুলি বের না হওয়ায় অস্ত্রটি সচল করার চেস্টা করেন। এ সময় অস্ত্রের গুলি বেরিয়ে আবু মুছার পেটে বিদ্ধ হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) সোনালী সেন জানান, ফায়ারিংয়ের সময় আবু মুছার নিজের রাইফেলে গুলি আটকে যায়। তখন তিনি অস্ত্রটি সচল করার সময় গুলিটি লক্ষভ্রষ্ট হয়ে তার পেটে নিচের অংশে লাগে।