উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোংলা বন্দরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজে ওয়াচম্যান (নিরাপত্তা প্রহরী) না নেওয়ায় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বন্দরে আসা পণ্যবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের চুরি ডাকাতি ঠেকাতে ওইসব জাহাজে ওয়াচম্যান বুকিং নেওয়ার বিধান থাকলেও তা মানছেন ন ‘সমোন্দা শিপিং এজেন্ট।’ এ কারণে বন্দরের স্টিভিডরিং ওয়াচম্যানদের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মোংলা বন্দর স্টিভিডরিং ওয়াচম্যান ওয়েলফেয়ার সংঘের সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল ফকির জানান, মোংলা বন্দর উপদেষ্টা কমিটির ১৪তম সভায় জাহাজে ওয়াচম্যান নিয়োগের সিদ্ধান্ত হলেও ‘সামোন্দা শিপিং এজেন্ট’ খামখেয়ালিপানা করে জাহাজে ওয়াচম্যান নিচ্ছেন না।
ওয়াচম্যান সংঘের নেতারা আরও বলেন,‘মোংলা বন্দরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজে চুরি ডাকাতি ঠেকাতে জাহাজে ওয়াচম্যান নিয়োগের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কোনও ভাবেই এ সিদ্ধান্ত মানছে না সামোন্দা শিপিং।
বন্দরের হারবার সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) এসলি অব ম্যান পতাকাবাহী ‘গোরি ওয়াচ’ নামে একটি জাহাজ সকাল ১১টায় সার নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে। জাহাজটির শিপিং এজেন্ট সামোন্দা শিপিং। এই জাহাজেও কোনও ওয়াচম্যান নিয়োগ দেয়নি এই শিপিং প্রতিষ্ঠানটি।
সামোন্দা শিপিং এজেন্টের খুলনার ম্যানেজার লিয়াকত আলী বলেন,‘জাহাজে ওয়াচম্যান নিয়োগের কোনও নিয়ম নাই।’
তবে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার দুরুল হুদা বলেন,‘ম্যানেজার লিয়াকত আলীর কথাটি সত্য নয়, বন্দরে যেসব দেশি-বিদেশি জাহাজ আসবে এবং সেসব জাহাজ ছেড়ে না যাওয়া পর্যন্ত ওয়াচম্যান নিয়োগ বাধ্যতামূলক। যেসব শিপিং এজেন্ট এ নিয়ম মানছেন না, তাদের বিরুদ্ধে বন্দরের স্বার্থে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।