আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর, এই প্রথম নড়াইল আসলেন মাশরাফি। এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুধাসদন থেকে শেখ হাসিনার পাশে বসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লোহাগড়া-নড়াইলবাসীর সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন।
শনিবার সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে রওনা দেন মাশরাফি। কালনাঘাট এবং লোহাগড়া হয়ে নড়াইল পৌঁছান তিনি। তার আসার খবর শুনে সকাল থেকে শত শত মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনে, এমনকি পায়ে হেঁটে মাশরাফিভক্তরা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কালনাঘাট পৌঁছান। অনেক অপেক্ষার পর মাশরাফি বেলা আড়াইটার দিকে কারযোগে কালনাঘাটে পৌঁছান। এরপর বিশেষভাবে সজ্জিত নৌকাযোগে মধুমতি নদী পর হন তিনি। বেলা ৩টার দিকে আওয়ামী লীগের আয়োজনে লোহাগড়া পাড়ের কালনাঘাটে স্থাপিত মঞ্চে অপেক্ষমাণ জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেন মাশরাফি।
বক্তব্যে মাশরাফি বলেন,‘আমি আপনাদের সন্তান। আমার প্রতীক নৌকা। এই নৌকা প্রতীকে আপনারা আমাকে যোগ্য মনে করলে ইনশাআল্লাহ ভোট দেবেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এরপর ‘জয়বাংলা- জয়বঙ্গবন্ধু’ বলে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।
এসময় কালনাঘাটে উপস্থিত ছিলেন-মাশরাফির বাবা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আব্দুল হান্নান রুনু, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নড়াইল পৌরসভার মেয়র মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, লোহাগড়া পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম, আমাদা আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আল ফয়সাল খান। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুজ্জামান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক নিলয় রায় বাধন, লোহাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শিকদার নজরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা সদর উদ্দিন শামীম, মুন্সী শাহীন আহম্মেদ, মাসুম প্রমুখ।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা মাশরাফিকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বক্তব্য শেষে তিনি নড়াইলের উদ্দেশে রওনা দেন।