মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িতে নিজ বাসভবনে জরুরি এক সংবাদ সন্মেলন এ অভিযোগ করেন তিনি।
চুয়াডাঙ্গা-২ নির্বাচনি এলাকার কোথাও ধানের শীষের পোস্টার-লিফলেট বিলি ও প্রচারণা চালাতে গেলেই বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন মাহমুদ হাসান। গত ১০ দিনে নির্বাচনি দুটি উপজেলায় প্রায় ২০টি হামলায় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার দাবি করেন তিনি। ঐক্যফ্রন্টের এই প্রার্থী বলেন, ‘৫ দিনে ১০ মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় ৭ শতাধিক নেতাকর্মীকে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দেশবাসীর মতো আমরাও সেনাবাহিনীর দিকে তাকিয়ে আছি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকতে চাই।’
সংবাদ সন্মেলনে তার সঙ্গে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হবি, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী শাহ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা জাহান পারুল প্রমুখ।
চুয়াডাঙ্গা রিটার্নিং অফিসার গোপাল চন্দ্র দাস বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং আগে থেকেই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে তদন্ত কমিটি গঠন করা আছে। তাদের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দীন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘আওয়ামী লীগের ওপর আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর করেছে। এ ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।’