বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত শুধু বিএনপিরই ২০০ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এমনকি হাইকোর্টের জামিন থাকা সত্ত্বেও গায়েবি মামলায় নেতাকর্মীদের আটক করে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
মাসুদ অরুণ বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনি চিফ এজেন্ট মারুফ আহম্মেদ বিজন, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ জেলা পর্যায়ের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা। প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে একটি বিশেষ দলকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, আব্দুর রহমান, হাফিজুর রহমানসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা।