পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যার পর চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় দক্ষিণ পাড়া এলাকায় অবস্থান করছিল ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন সদস্য। এর কিছুক্ষণ পরই প্রতিপক্ষ গ্রুপের ৮/১০ সদস্য তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। অস্ত্রের আঘাতে মিরাজ ও বশির নামে দুই ছাত্রলীগ কর্মী মারাত্মক জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা শামীমা ইয়াসমিন বলেন, ‘ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কারণে আহত মিরাজের বাম পায়ের রগ কেটে গেছে। শরীরেও অসংখ্যা ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণে তার অবস্থা আশঙ্কজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। অপর আহত বশিরকে চুয়াডাঙ্গাতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন, নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনারোধে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।