কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ৪ মার্চ বিক্ষোভ মিছিল, ৮ মার্চ সারাদেশের শ্রমিক সমাবেশ, ১০ মার্চ লাল পতাকা মিছিল, ১২ মার্চ ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘট পালন, ১৯ মার্চ আবারও ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল এবং ২৪ মার্চ ঢাকায় বৈঠক ও সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা।
দাবির মধ্যে রয়েছে- সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫ এর রোয়েদাদ বাস্তবায়ন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের পি,এফ, গ্র্যাচুইটি ও মৃত শ্রমিকের বীমার বকেয়া প্রদান, টার্মিনেশন, বরখাস্ত শ্রমিকদের পুনর্বহাল, সেটআপ অনুযায়ী শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও স্থায়ী করা, মৌসুমে পাট ক্রয়ের অর্থ বরাদ্ধ, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিলগুলিকে পর্যায়ক্রমে বিএমআরই করা।
বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগের সভাপতি প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি সরদার মোতাহার উদ্দিন বলেন, ‘শান্তি ও শৃঙ্খলভাবে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা হবে। মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকদের প্রাণের দাবি পূরণ হবে এবং শ্রমিকরা আন্দোলন থেকেও ফিরে আসবে।’
ক্রিসেন্ট জুট মিল সিবিএ’র সভাপতি মুরাদ হোসেন বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলন কর্মসূচির একটি দাবিনামা বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগের নেতারা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বিজেএমসি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দফতরে পাঠিয়েছেন।
প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলে শ্রমিক সভায় কর্মসূচি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় পাটকল শ্রমিক লীগের সভাপতি প্লাটিনাম জুট মিলের সিবিএর সভাপতি সরদার মোতাহার উদ্দিন। ক্রিসেন্ট জুট মিলের গেট সভায় সভপতিত্ব করেন সিবিএর সভাপতি মুরাদ হোসেন। খালিশপুর জুট মিলে শ্রমিক সমাবেশে সিবিএর সভাপতি আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মাদ, স্টার জুট মিলে গেট সভায় মিন্টু গাজী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া আলিম, ইস্টার্ন, কার্পেটিং ও জেজেআইতে গেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।