দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, যশোর, মাগুরা ও কুষ্টিয়া হাসপাতালে ১৫১ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছে দুদক। তার ভিত্তিতে আজ তদন্ত শুরু হয়েছে।
এসময় তিনি আরও জানান, ওষুধ, মেশিনারিজ, ইকুইপমেন্ট, ওটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এর থেকে বেশিকিছু এখন বলা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক দফতরের একটি সূত্র জানায়, ২০১১-১২ অর্থবছরে ওষুধ, মেশিনারিজ ইত্যাদি কেনার জন্য বাজেট ছিল ১০ কোটি ৫২ লাখের কিছু বেশি।
জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আবুল কালাম আজাদ লিটু বলেন, ‘২০১১-১২ অর্থবছরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন ডা. সালাউদ্দি ন আহম্মেদ। সেই সময় অনিয়ম, দুর্নীতি হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। দুদক তদন্ত করছে, যতটুকু সহযোগিতা করার দরকার সেটি করছি। দুর্নীতির প্রমাণ পেলে দুদক ব্যবস্থা নেবে।’