খুলনা-যশোর অঞ্চলের ৯টি রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল শ্রমিক ৯ দফা দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। রবিবার সকাল ১০টায় লাল পতাকা হাতে বিক্ষোভ মিছিল হয়। খালিশপুর-নতুন রাস্তায় প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে ৯ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
পাটকল শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সরদার মোতাহার উদ্দীন, শ্রমিক লীগ নেতা মুরাদ হোসেন, হেমায়েত উদ্দীন আজাদী ও খলিলুর রহমানসহ সিবিএ- নন সিবিএ নেতারা এ সমাবেশে বক্তৃতা করেন।
বক্তারা বলেন, সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫ এর রোয়েদাদসহ উল্লেখিত দাবি ও সুপারিশ বাস্তবায়ন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের পি,এফ, গ্র্যাচুইটি ও মৃত শ্রমিকের বীমার বকেয়া, টার্মিনেট ও বরখাস্ত শ্রমিকদের কাজের পুনঃবহাল, সেটআপ অনুযায়ী শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও স্থায়ী করা, পাট মৌসুমে পাট ক্রয়ের অর্থ বরাদ্দ, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিলগুলোকে পর্যায়ক্রমে বি, এম, আর, ই করাসহ ৯ দফা বাস্তবায়নে এ আন্দোলন।
এর আগে পাটখাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, বকেয়া মজুরি -বেতন পরিশোধ, মজুরি কমিশন কার্যকর ও প্রতি সপ্তাহের মজুরি প্রতি সপ্তাহে দেওয়াসহ ৯ দফা দাবিতে ৭ দিনের কর্মসূচির ডাক দেয় বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগ। এ কর্মসূচির ৪র্থ দিন খুলনার প্লাটিনাম, ক্রিসেন্ট, খালিশপুর, দৌলতপুর, দিঘলিয়ার স্টার, আটরা ও নওয়াপাড়া শিল্প এলাকার আলীম, স্টার্ণ, জেজেআই, কার্পেটিং মিলের শ্রমিকরা সব স্ব মিল গেটে সমবেত হয়ে সমাবেশ করেন। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন।
কর্মসূচির মধ্যে ১২ মার্চ ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘট পালন, ১৯ মার্চ আবারও ৪৮ ঘন্টা ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল। ২৪ মার্চ ঢাকায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।