পোল্ট্রি ফিশ ফিডের ব্যবসায়ী এস এম সোহরাব হোসেন বলেন, মাস খানেক আগে এক পিস এক দিনের বাচ্চার দাম ছিল ৩২-৩৪ টাকা। বর্তমানে ফার্ম মালিকরা তা বিক্রি করছে ৭০-৭২ টাকায়। মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লে তারা প্রতি বাচ্চায় ২০ টাকায় বাড়িয়ে দেয়।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ফার্ম মালিকদের এক দিনের বাচ্চার দাম ব্রয়লার ৩০ টাকা ও লেয়ার (ডিম পাড়া) ৩২ টাকায় নির্ধারণ করে দেন। পরবর্তীতে খামার মালিকরা সরকারের এই নিদের্শনরা ওপর হাইকোর্টে রিট করায় তা আদালত স্থগিত করেন। এরপর থেকে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। একদিনের বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সর্বোচ্চ খরচ হয় ১৪-১৫ টাকা। এর সঙ্গে শতকরা ২৫ ভাগ লাভ যোগ করলে প্রতি পিস বাচ্চার মূল্য দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ২২-৩০ টাকায়। কিন্তু ফার্ম মালিকরা তাদের ইচ্ছে মতো দাম বসিয়ে বাজারে বিক্রি করছেন।
মুরগি ও ডিম ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, ২২ দিন আগে খুলনায় ব্রয়লার মুরগি মাংস পাইকারি কেজি বিক্রি ছিলো ১০০ টাকা। তা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকা। এছাড়া কক ১৯০-১৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ২২৫-২৩০ টাকা ও সোনালি পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ২১০-২১৫ টাকা দরে। আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মাংস কেজিতে ১৫০ টাকা, কক ২৪৫-২৫০ টাকায়।