সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনে আগুন লাগার শঙ্কা বেড়ে যায়। এক শ্রেণির জেলে ও বনজীবীরা চোরাই পথে শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের বনের মধ্যে ঢুকে রাতের আধারে ছোট-ছোট বিলের মিঠা পানির মাছ ও মধু আহরণ করতে যায় এবং প্রায় প্রতি বছরই পরিকল্পিতভাবে সুন্দরবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের কলমতেজী, গুলিশাখালী, নাংলী, কাটাখালী, বৈদ্যমারী, বরুইতলা, জিউধরা ও আমুরবুনিয়া এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের এ এলাকার পাশে রয়েছে লোকালয়। এসব লোকালয়ে অসংখ্য মানুষ বনজীবী। তাই সুন্দরবনে আগুন ঠেকাতে সব ধরনের দাহ্য পদার্থ বহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাশাপাশি বন সন্নিহিত এ সব লোকালয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনুমতিপত্র নিয়ে সুন্দরবনে ঢোকা জেলে, বাওয়ালী, মৌয়াল ও ইকোটুরিস্টরা সঙ্গে করে বিড়ি-সিগারেট, দিয়াশলাই-লাইটার ও মশালসহ কোনও ধরনের দাহ্য পদার্থ নিয়ে যাতে বনে ঢুকতে না পারে সেজন্য বনরক্ষীরা তল্লাশি শুরু করেছে। সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নজরদারি।