স্থানীয় পৌর কমিশনার আব্দুল জব্বার জানান, প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের পেছনে প্রায় ২৫টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সবাই। বিষয়টি নিয়ে অবরুদ্ধ পরিবারগুলো বন্দর পরিচালকের বরাবর আবেদন জানায়। কিন্তু তারা অসহায় মানুষগুলোর যাতায়াতের বিকল্প কোনও ব্যবস্থা না করে নির্মাণ কাজ শুরু করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে নারীরা ঝাড়ু হাতে নিয়ে মিছিল করেন।
স্থানীয় দুলাল চৌধুরী জানান, নিয়ম রয়েছে স্থায়ী কোনও নির্মাণ কাজ করতে গেলে নির্দিষ্ট পরিমাণে জায়গা ছেড়ে কাজ করতে হবে। কিন্তু বন্দরের লোকজন জোর পূর্বক তার বাড়ির সীমানা ঘেঁষে কাজ শুরু করেছে। বিষয়টি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও তারা শুনছেন না।
অবরুদ্ধ গ্রামবাসীর পক্ষে আশাদুজ্জামান আশা বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের এ কাজের কারণে তাদের বাড়ির লোকজনের দুই দিন ধরে বাইরে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে।
এ ব্যাপারে বন্দরের প্রকৌশলী রেজাউল জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। গ্রামবাসী চলাচল করতে না পারলে তাদের কিছুই করার নেই।