পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শনিবার দুপুরে চিতলমারীর উমাজুড়ি ও নাজিরপুরের পশ্চিম বানিয়ারী গ্রামে উভয়পক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ, নাজিরপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান, বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ মাঈনুল হাসান, চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুকুল সরকারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
চিতলমারী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কৃষ্ণপদ রায় জানান, শনিবার সকালে নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিমবানিয়ারী গ্রামের সমীর বিশ্বাস ও এমাদুল শিকদারের নেতৃত্বে শতাধিক গ্রামবাসী চিতলমারী উপজেলার উমাজুড়ি ও বানিয়ারী গ্রামের ধান কাটতে আসে। তাদের বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
পশ্চিমবানিয়ারী গ্রামের সমীর বিশ্বাস জানান, চিতলমারী উপজেলার উমাজুড়ি গ্রামবাসী তাদের প্রায় আড়াইশ বিঘা (৮০ শতকে এক বিঘা) জমির ধান কেটে নেওয়ার সময় বাধা দিলে তাদের গ্রামের চারজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, স্থানীয়দের বিরোধ নিরসনের জন্য দুই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ধান কেটে জমির প্রকৃত মালিকদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হবে।