বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।এ কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় বুধবার বিকেলে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এই সভায় পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জহিরুল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কর্মকর্তা মো. আবুল আসাদ মিয়াসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় জেলার সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় ২৩৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০টি মেডিক্যাল টিম। রেড ক্রিসেন্ট, ফায়ার সার্ভিস ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কয়েক শ’ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার দূরুল হুদা জানান, মোংলা বন্দরে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্দর জেটি ও আউটার অ্যাংকরেজে অবস্থানরত ১৫টি জাহাজ নিরাপদে রয়েছে। ঘর্ণিঝড়ের সংকেত ৫ নম্বরে উঠলেই বন্দরে পণ্যবোঝাই ও খালাসের কাজ বন্ধ করে করে দেওয়া হবে। জাহাজগুলোকে জেটি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হবে।