খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সানাউল্লাহর বাড়ি উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে।
ওসি এবিএম মেহেদী মাসুদ জানান, প্রায় তিন মাস আগে সানাউল্লাহর বড় মেয়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হলে, সেখান থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা পান তিনি। টাকাগুলো সানাউল্লাহ তার স্ত্রীর কাছে রাখেন। এই টাকা নেওয়ার জন্য বাবার সঙ্গে বিবাদে জড়ায় ছেলে রানা। এরমধ্যে হঠাৎ একদিন সানাউল্লাহ নিখোঁজ হন। নিখোঁজের আগের দিন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে ঢাকা চলে যান।
ওসি আরও জানান, গত ১ মে নিহতের বড় ভাই আব্দুল বারিক বিশ্বাস থানায় অভিযোগ করেন যে, তার ভাই সানাউল্লাহ প্রায় আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। পরে বিষয়টি তদন্ত করে সানাউল্লাহর ছেলে রাণাকে সন্দেহ হলে সে পালিয়ে যায়। এরপর গতকাল রাতে কুষ্টিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাণার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সানাউল্লাহ বাড়ির রান্না ঘরের মেঝেতে প্রায় চার ফুট গর্ত থেকে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় খোকসা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।