অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার ৬ নম্বর জয়পুর ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ইউপি সদস্যদের মতামত ছাড়াই বিভিন্ন কার্ড প্রদানসহ ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম করে আসছেন। ইউপি সদস্যরা তার এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গেলে, তিনি তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। হুমকি ধামকিও দেন। বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, ভিজিএফ কার্ড, মাতৃত্বকালীন ভাতা, সার, বীজ, এলজিএসপি, টিআর, কাবিখা প্রভৃতি বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে ওই পত্রে।
অভিযোগ প্রত্রে আরও বেলা হয়েছে, ৪০দিনের কর্মসূচিতে ৯২ জনের নামের তালিকা থাকলেও মাত্র ৪০ জনকে দিয়ে চেয়ারম্যান কাজ করিয়েছেন। বাকি ৫২ জনের ‘ভুয়া’ জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে তাদের পারিশ্রমিক তুলে নিজে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন জলাশয়, খেয়াঘাটসহ ইত্যাদি বিষয়ে সদস্যের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা না করে গোপনে নিজের লোকদের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে সরকারের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জয়পুর ইউপি’র একাধিক সদস্য জানান,‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি। অথচ জনগণের প্রাপ্য মালামাল, ত্রাণ সামগ্রী আমরা জনগণকে দিতে না পারায় তারা আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। এর একটা সুষ্ঠু প্রতিকার হওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে জয়পুর ইউপি’র চেয়ারম্যান আকতার হোসেন বলেন,‘আমার ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য বিরোধী একটি চক্র এ দরখাস্ত করেছেন। আদৌ এসব অভিযোগ সত্য নয়।’