মেহেরপুরে ডিসি’র নির্দেশে ফের ধান-গম কেনা শুরু

01মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনীর নির্দেশে গাংনীতে ফের ধান ও গম কেনা শুরু হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) বেলা ১২টায় গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল খালেকের সঙ্গে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান ও খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান বৈঠক করে সরকারি বিধি অনুযায়ী চাল, ধান ও গম কেনার নির্দেশনা দেন।
এর আগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকনের মৌখিক নির্দেশে থান ও গম কেনা বন্ধ রাখে খাদ্য বিভাগ।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খলিলুর রহমান বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আমরা ধান ও গম কেনা শুরু করেছি। তবে বুধবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কোনও চাষি তা সরবরাহ করেনি। তবে শুনেছি খাদ্য গুদামের বাইরে কয়েকজন চাষি কিছু গম, চাল ও ধান এনেছে।’
খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান বলেন, এমপি’র মৌখিক নির্দেশে মঙ্গলবার দুপুরে সাময়িকভাবে ধান ও গম কেনা বন্ধ রাখার পর বুধবার আবার শুরু হয়েছে।
কী কারণে সংসদ সদস্য ধান-চাল কেনা বন্ধ করতে বলেছেন, জানতে চাইলে মতিয়ার রহমান বলেন, বিভিন্ন জেলা থেকে চাল আনা হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে তিনি ধান-গম কেনা বন্ধের নির্দেশ দেন।
মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনী বলেন, ‘কোনও অজুহাতে চাল, ধান ও গম কেনা বন্ধ করা যাবে না। সরকারি নির্দশনা ও বিধি অনুযায়ী কিনতে হবে। কোনও অনিয়ম বা সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও অনিয়মের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন বলেন, ‘কৃষকের ধান কিনবে মিল মালিকরা। সেই ধান থেকে হওয়া চাল সরকারি খাদ্য গুদামে সরবরাহ করবে মিল মালিকরা। তাতে আমাদের কৃষকরা যেমন ধানের ন্যায্য মূল্য পাবে তেমনি মিলাররাও আর্থিকভাবে লাভবান হবে। অথচ কতিপয় লোকজন মিলারদের জিম্মি করে বাইরের জেলা থেকে ট্রাকভর্তি চাল এনে খাদ্য গুদামে সরবরাহ করছে। এ কারণে খাদ্য বিভাগকে আমি বাইরের চাল নেওয়া বন্ধ করতে বলেছিলাম।’