তারা হলো, প্রশান্ত কুমার দাস, আব্দুল মজিদ, আল মাউন, তাইনুর আলম, হাসান ইকবাল ও রিপন হোসেন।
ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান জানান, শহরের আরাপপুরে আব্দুল মজিদের বাসায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কেনাবেচা হচ্ছে— এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে আসা প্রশ্ন ও উত্তরপত্র বিক্রি করে জন প্রতি ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নপত্র কেনা-বেচার ৬০ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়। পরীক্ষা শেষে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে বিক্রি হওয়া প্রশ্নপত্রের যাচাই করে কোনও মিল পাননি। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।