মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ৩০ মার্চ মৃগমারী গ্রামের এক শিশুকে মেলা দেখানোর নাম করে শাহাবুল তাকে পাশের দেহাটি গ্রামে নিয়ে যায়। এসময় রাতে অচেতন করে একটি সেগুন বাগানে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে শাহাবুল। বাড়ি ফেরার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
জীবননগর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক কেরামত আলী দুইজনকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ১৫ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত এ মামলার সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও পরীক্ষা শেষে শাহাবুলকে দোষি সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। মামলার অপর আসামি রোজীনা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।